0Boo বা না Boo থেকে ...

ওয়ানডে বিশ্বকাপের সময় সেখানে জনতার প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে মন্তব্যকারীদের মধ্যে ক্রমাগত আলোচনা হয়েছে 2 অস্ট্রেলিয়ান Cheats. ইয়ন মরগান একটি অবস্থান গ্রহণ করা হয়নি এবং বলেন তিনি মনে করতেন এটি আপ তাঁকে ভক্ত না বা ভাবতে কি বলতে ছিল না. বিরাট কোহলি সমর্থকদের জিজ্ঞাসা একটি ইতিবাচক অঙ্গভঙ্গি মধ্যে যুগল Boo না যাতে তারা প্রাপ্য না. গ্রায়েম সোয়ান সহ ইংল্যান্ডের সাবেক খেলোয়াড়দের booing সম্পর্কে খুব নেতিবাচক হয়েছে, যেমন রয়েছে এমন অনেক অস্ট্রেলিয়ান সাবেক অনুকূল. তা করার পর্যবেক্ষক প্রকাশ্য কি?

We strongly dis­agree with those who have attacked sup­port­ers for boo­ing. Smith and Warner were guilty of cheat­ing, কিন্তু এর চেয়ে বেশি, they behaved in a way that would­n’t be accept­able in almost any oth­er walk of life. The anger towards them was about more than a bit of sand­pa­per. It was about their utter dis­respect for the spir­it of crick­et and the ter­rible example they were set­ting to future gen­er­a­tions. Warner espe­cially has a long track record includ­ing (but not lim­ited to) punch­ing Joe Root in a bar a few years ago, telling Rohit Sharma to “speak Eng­lish”, squar­ing up to Ran­gana Herath, and the infam­ous abuse dir­ec­ted at Jonath­an Trott. তিনি অনেক বেশী সম্ভাবনা ছিল তুলনায় তিনি দাবী. I would prefer not to see him selec­ted to play inter­na­tion­al crick­et any more.

কিন্তু, one good point has been made about boo­ing. It often fires play­ers up and drives them to play at their best. ওয়ার্নার, উদাহরণ স্বরূপ, বিশ্বকাপে রানের প্রচুর রান করেছেন.

সুতরাং, we have a pro­pos­al. Don’t boo reg­u­larly. Don’t do any­thing at all. মোটের উপর, main­tain a dig­ni­fied silence. Send a mes­sage that they aren’t wel­come but also that they aren’t worth the effort. If every bound­ary is greeted with deathly silence that sends a much more potent mes­sage. Save the boos for a major land­mark. Ignore the per­form­ance until a cen­tury is made and then boo loud and clear.

উত্তর দিন